কুরআন তিলাওয়াত করা ও শ্রবণ করার মাঝে রয়েছে অসংখ্য ফযিলত। যার প্রমাণ কুরআন-সুন্নাহ’য় অগণীত। হেযবুত তওহীদ কী বলে? তাদের দাবি হলো, রাষ্ট্রে কুরআনের আইন কার্যকর না হলে কুরআন শোনা ও পড়ায় কোনো ফযিলত নেই। দেখুন তারা কী বলে- কোর’আন শরীফ আল্লাহর আদেশ-নিষেধের একটি গ্রন্থ। সেই আদেশ নিষেধকে সমাজে প্রতিষ্ঠা না করে, পশ্চিমা সভ্যতার আইন-কানুন মেনে নিয়ে রোজার মাসে দাঁড়িয়ে দাঁড়িয়ে …
Read More »কুরআন রাষ্ট্রে কায়েম না হলে এর কোনো দাম নেই।
পবিত্র কুরআন সন্মানিত হওয়ার জন্য এতটুকুই যথেষ্ট যে সে কুরআন আল্লাহ-র কালাম। কুরআন নিজেই স্বয়ংসম্পূর্ণ। আল্লাহ-র কালাম মূল্যবান হতে অন্য কোনো বিষয়ের সম্পৃক্ততা লাগে না। অতএব শর্তহীনভাবে কুরআন নিজেই সম্মানিত ও মহামূল্যবান। হেযবুত তওহীদ কী বলে? প্রথমে একথা জেনে রাখা যাক যে, হেযবুত তওহীদের কাছে রাষ্ট্র ইসলাম কায়েমই হলো ইসলামের মূল উদ্দেশ্য। সেই রাষ্ট্রে যদি কুরআন কায়েম না হয়, তাহলে …
Read More »কুরআনের আত্মা, প্রয়োগ ও ব্যবহারিক দিক বিকৃত হয়ে গেছে।
প্রত্যেকটি জিনিষের মূল হলো তার আত্মা। এই আত্মা হারিয়ে গেলে সেটা মূল্যহীন হয়ে যায়। যেমন মানুষের আত্মা চলে গেলে সে লাশ হয়ে যায়। তখন তা দিয়ে আর উপকৃত হওয়া সম্ভব হয় না। হেযবুত তওহীদ কী বলে? দুর্ভাগ্যজনক হলেও সত্য যে, পবিত্র কুরআনের ব্যাপারে জঘন্য কথার আবিস্কারক এই হেযবুত তওহীদ। তাদের দাবি হলো, ‘কুরআনের আত্মা হারিয়ে গেছে’। তারা লিখেছে, কোর’আনের শিক্ষা …
Read More »কুরআনের কপি উসমান রা. এর আগে ছিলো না। হেযবুত তওহীদ।
পবিত্র কুরআন একটি সার্বজনীন স্বীকৃত সহিহ গ্রন্থ। যাঁর ব্যাপারে পৃথিবির কোনও মুসলমানের সন্দেহ থাকার সুযোগ নেই। কিন্তু দুর্ভাগ্যজনক হলেও সত্য যে, এই পবিত্র কুরআনের ব্যাপারে সন্দেহ ঢুকিয়ে দেওয়ার অনেক ষড়যন্ত্র ইতিপূর্বেও হয়েছে, এখনও হচ্ছে। এমনই একটি ষড়যন্ত্র করে চলেছে হেযবুত তওহীদ। অত্যান্ত কৌশলে তারা পবিত্র কুরআনের ব্যাপারে সংশয় ঢুকিয়ে দেওয়ার জন্য প্রচেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছে। চলুন হেযবুত তওহীদের বক্তব্যটা আগে দেখে …
Read More »ফিরিস্তা এবং দেবতা একই জিনিষ। হেযবুত তওহীদ।
সমস্ত মুসলামানকে আল্লাহর রাসুল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম ও আসমানী কিতাবের মতো ফিরিস্তাদের অস্তিত্বের উপরও ঈমান আনয়ন করতে হয়। কালিমায়ে শাহাদাতের মাঝে ফিরিস্তা সংশ্লিষ্ট আকিদাকে আল্লাহ তাআলার তাওহীদের আকিদার পরপরই স্থান দেয়া হয়েছে। শুধু মুসলমানরা নয় বরং নবিদেরকেও ফিরিস্তাকুলের উপর ঈমান আনয়ন করতে হয়েছে। সুরা বাকারার শেষে আল্লাহ তাআলা ইরশাদ করেন, آمَنَ الرَّسُولُ بِمَا أُنْزِلَ إِلَيْهِ مِنْ رَبِّهِ وَالْمُؤْمِنُونَ كُلٌّ …
Read More »ফিরিস্তারা শুধু প্রাকৃতিক শক্তি। হেযবুত তওহীদ।
মহান আল্লাহ-র সম্মানিত এক সৃষ্টির নাম ফিরিস্তা। যাঁদেরকে আল্লাহ-র সৈনিক বলে পবিত্র কুরআনে আখ্যায়িত করা হয়েছে। যাঁরা প্রাণীজগের অন্তুর্ভূক্ত একটি সৃষ্টি। তবে মহান রবের ঘোষণা অনুযায়ী ফিরিস্তারা তাঁর অনুগত ও সম্মানিত বান্দা। হেযবুত তওহীদ কী বলে? তাদের কাছে ফিরিস্তারা শুধু প্রাকৃতিক শক্তি মাত্র। আগে দেখুন ফিরিস্তাদের সম্পর্কে হেযবুত তওহীদ কী লিখেছে, মানুষকে বিজ্ঞান শেখাবার পর তিনি (আল্লাহ) তার মালায়েকদের ডেকে সব …
Read More »আল্লাহ-র নৈকট্য অর্জন করা আবশ্যক নয়।
প্রিয় পাঠক, মহান আল্লাহ আমাদেরকে অহেতুক সৃষ্টি করেননি। আল্লাহ চান যেন সকল বান্দা তাঁকে ভালোবাসেন, তাঁকে মহব্বত করেন। যারা রব থেকে দূরে সরে যায়, তাদের উদ্দেশ্যে আল্লাহ তাআলা বলেন, يَا أَيُّهَا الْإِنسَانُ مَا غَرَّكَ بِرَبِّكَ الْكَرِيمِ হে মানুষ! কোন জিনিস তোমাকে তোমার সেই মহান প্রতিপালক সম্বন্ধে ধোঁকায় ফেলেছে? -সুরা ইনফিতার : ৬ সুতরাং বুঝা গেলো, আল্লাহর চাওয়া হলো, তাঁর বান্দারা …
Read More »জাহিলিযুগে মানুষের প্রাণের মালিক ছিলো রাজা-বাদশাহরা
মানুষের জিবন ও মৃত্যুর মালিক শুধুমাত্র আল্লাহ। কেউ কারো জিবন যেমন দিতে পারে না, ঠিক তেমনি মৃত্যুদান করতেও অক্ষম। হেযবুত তওহীদ কী বলে? অথচ হেযবুত তওহীদের দাবি হলো, জাহিলি যুগে মানুষের জিবনের মালিক ছিলো রাজা-বাদশাহরা। দেখুন তারা কী লিখেছে, তখনকার দিনের রাজা-বাদশাহরা ছিলের সর্বেসর্বা, তাদের হুকুমই ছিলো আইন। (জাহেলী যুগে) মানুষের প্রাণের মালিক ছিল রাজা বাদশারা। -এসলাম শুধু নাম থাকবে …
Read More »মানুষের ভেতরে আল্লাহ-র সকল সিফাত ও ক্ষমতা রয়েছে।
মানুষকে আল্লাহ সবচে সম্মান দিয়ে সৃষ্টি করেছেন, কিন্তু সকল কিছুর ক্ষমতা একমাত্র আল্লাহর কাছে। এটা মুসলিমদের ও মুমিনদের আকীদা। কিন্তু হেযবুত তওহীদ নামক কুফরী দলের আকীদা হলো, আল্লাহর যতো ক্ষমতা রয়েছে, সকল ক্ষমতা মানুষকে দিয়েই তিনি সৃষ্টি করেছেন। হেযবুত তওহীদ কী বলে? নিন্মে হেযবুত তওহীদের কয়েকটি বক্তব্য তুলে ধরা হলো, আদম সৃষ্টির পূর্বে আল্লাহ তার সব মালায়েকদের ডেকে তাঁর সিদ্ধান্ত …
Read More »আল্লাহ, ঈশ্বর, গড, ব্রহ্মা সব একই।
মহান রব আল্লাহপাকের নাম সম্পর্কে কুরআন-সুন্নাহ’য় যথেষ্ট বর্ণনা রয়েছে। অপরদিকে বিধর্মীদের কালচারকে না মানার জন্য বারবার তাকিদ দেওয়া হয়েছে। সুতরাং আল্লাহপাকের কয়টা ও কী কী নাম রয়েছে সে সম্পর্কে কুরআন-সুন্নাহ যে তথ্য দিয়েছে, সেগুলোই আমাদের জন্য যথেষ্ট। অমুসলিমরা যাদেরকে প্রভু বলে স্বীকার করে ও তাদেরকে যে নামে ডাকে, সে নামগুলোকে আল্লাহ-র নাম বলে পরিচয় দেওয়া নিতান্তই ভ্রষ্টতার শামিল। হেযবুত তওহীদ …
Read More »
মুফতি রিজওয়ান রফিকী প্রিন্সিপাল- মাদরাসা মারকাযুন নূর বোর্ড বাজার, গাজীপুর সদর