সুরা ফাতিহার বাংলা অনুবাদ।

হুবহু তাফসীরে মাআরিফুল কুরআন থেকে নেয়া। الْحَمْدُ للّهِ رَبِّ الْعَالَمِينَ ১. যাবতীয় প্রশংসা আল্লাহ তা’ আলার যিনি সকল সৃষ্টি জগতের পালনকর্তা। الرَّحْمـنِ الرَّحِيمِ ২. যিনি অত্যান্ত মেহেরবান ও দয়ালু। مَالِكِ يَوْمِ الدِّينِ ৩. যিনি বিচার দিনের মালিক। إِيَّاكَ نَعْبُدُ وإِيَّاكَ نَسْتَعِينُ ৪. আমরা একমাত্র তোমারই ইবাদত করি এবং শুধুমাত্র তোমারই সাহায্য প্রার্থনা করি। اهدِنَــــا الصِّرَاطَ المُستَقِيمَ ৫. আমাদেরকে সরল পথ …

Read More »

ভাই-বোন ও আপনজনকে যাকাত দেয়া যাবে কি না?

যাকাত, ফিতরা, মান্নতের টাকা বা সম্পদ প্রথমত নিজের ভাই ও বোন। অতপর ভাতিজা-ভাতিজী। অতপর চাচা-চাচি।অতপর চাচাতো ভাই,বোন। অতপর ফুফু-ফুফা। অতপর ফুফাতো ভাই-বোন অতপর মামা-মামি অতপর মামাতো ভাই-বোন অতপর খালা-খালু। অতপর খালাত ভাই-বোনকে দেয়া উত্তম। তবে এ ক্ষেত্রে লক্ষণীয় হলো, তারা বালেগ এবং গরীব-মিসকিন হতে হবে। তবে যদি তাদের কেউ যাকাত প্রদানকারীর অধিনস্ত হয় অর্থাৎ তাদের ভরণ-পোষণের দায়ীত্ব যাকাত প্রদানকারীর উপর …

Read More »

তাবিজ ব্যবহার করা কি শিরক?

বর্তমানে কিছু ইসলামিক স্কলারগণ সরাসরি সব ধরণের তাবজি ব্যবহারকে শিরক বলে আখ্যায়িত করে চলেছেন। কিন্তু হাদিসের কিতাবগুলো অধ্যয়ন করলে দেখা যায়,অসংখ্য সাহাবায়ে কেরাম এবং তাবেয়ীগণ তাবিজ ব্যবহার জায়েযের পক্ষে ফাতাওয়া দিয়েছেন। এমনকি তাঁরা তাবিজ দিয়েছেন। অবশ্য জাহেলী যুগে বিভিন্নভাবে কুফরী মন্ত্র দিয়ে তাবিজ দেয়া হতো। সেসব তাবিজকে নবিজি স: সরাসরি শিরক বলে ঘোষণা করেছেন। এখানে আমাদের জেনে রাখা উচিৎ তাবিজ …

Read More »

ইমাম সাহেব নামাজের পর সুন্নাত কোথায় পড়বেন?

ইমাম সাহেবের জন্য জামাতের নামাজ শেষ করে, নিজের জায়গা থেকে সরে বাকি সুন্নাত বা নফল পড়া উত্তম। কারণ হাদিসে এসেছে, عن ابن عمر انّهُ كَرِهَ إِذَا صَلّى الإِمَامُ أَنْ يَتَطَوّعَ فِي مَكَانِهِ وَلَمْ يَرَ بِهِ لِغَيْرِ الإِمَامِ بَأْسًا. অর্থ: হযরত আব্দুল্লাহ ইবনে উমর রা. থেকে বর্ণিত, তিনি ইমামের জন্য নিজের জায়গায় সুন্নত পড়াকে অপছন্দ করতেন। তবে সাধারণ মুসল্লীদের জন্য কোন …

Read More »

গোসল ফরজ অবস্থায় সাহরী করা যাবে কি?

বীর্যপাত, সহবাস অথবা নারীদের হায়েয-নেফাস বা ঋতুবন্ধ হলে গোসল ফরজ হয়ে যায়। এ ফরজ গোসল না করেই যদি কেউ সাহরী খেতে চায়, তাহলে খেতে পারবে। কোন অসবিধা নেই। কারণ নবিজি স: দু’জন সহধর্মিণী আম্মাজান আয়েশা রা: ও উম্মে সালামা রা: থেকে বর্ণিত, أنَّ رَسولَ اللَّهِ ﷺ كانَ يُدْرِكُهُ الفَجْرُ وهو جُنُبٌ مِن أهْلِهِ ثُمَّ يَغْتَسِلُ ويَصُومُ অর্থ: নবিজি স: স্ত্রী …

Read More »

স্ত্রী সহবাসের দোয়া

হাদিস শরীফে এসেছে, عن عبدالله بن عباس رضي الله عنه قال قال النبي صلي الله عليه وسلم أَما إنَّ أحَدَكُمْ إذا أتى أهْلَهُ وقالَ بسْمِ اللَّهِ اللَّهُمَّ جَنِّبْنا الشَّيْطانَ وجَنِّبِ الشَّيْطانَ ما رَزَقْتَنا فَرُزِقا ولَدًا لَمْ يَضُرَّهُ الشَّيْطانُ অর্থ: হযরত আব্দুল্লাহ ইবনুূ আববাস রাঃ থেকে বর্ণিত তিনি বলেন, নাবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন, তোমাদের মধ্যে কেউ যখন স্ত্রী-সহবাস করতে যাবে, …

Read More »

ঝাড়ফুঁক কি ইসলামে জায়েয?

এ ব্যপারে রাসুল স: থেকে দু ধরণের হাদিস এসেছে।কোন কোন হাদিসে ঝাড়ফুঁক কে শিরক বলা হয়েছে। ১. ঝাড়ফুঁক শিরক সম্বলিত হাদিস: عن عبد الله بن مسعود رضي الله عنه قال: سمعت رسول الله صلى الله عليه وسلم يقول انّ الرّقَى وَالتّمَائِمَ وَالتِّوَلَةَ شِرْكٌ অর্থ: হযরত আব্দুল্লাহ ইবনে মাসউদ রা: থেকে বর্ণিত নবিজি স: বলেন, নিশ্চয় রুকইয়া, তামীমা ও তিওয়ালা শিরক। …

Read More »

শরীর থেকে রক্ত বের হলে রোযা নষ্ট হবে?

রোযা অবস্থায় শরীর থেকে বক্ত বের হল, রোযা নষ্ট হবে না। চাই ইচ্ছা করে বের করুক বা অনিচ্ছায়, অল্প হোক বা বেশি। কারণ রাসুল স: রোযা অবস্থায় হিজামা করিয়ে রক্ত বের করেছেন। হাদিসে এসেছে, عن ابن عباس رضي الله عنهما أن النبي صلى الله عليه وسلم احتجم وهو محرم واحتجم وهو صائم অর্থ: হযরত আব্দুল্লাহ ইবনে আব্বাস রা. থেকে বর্ণিত, …

Read More »

নেবুলাইজারে রোযা নষ্ট হবে?

মূলত নেবুলাইজারের মাধ্যমে শ্বাষকষ্ট দূর করার জন্য ঔষধ তরল বা বাষ্প আকারে ভিতরে প্রবেশ করানো হয়ে থাকে। ফলে রোযা নষ্ট হয়ে যাবে। (তবে যদি শুধু বাতাস ভিতরে প্রবেশ করায় তাহলে রোযা নষ্ট হবে না।) কারণ হাদিসে এসেছে, عنِ ابنِ عبّاسٍ رَضِي اللَّهُ عنهُما قال إنما الفِطرُ مما دخلَ وليسَ مما خرجَ অর্থ: হযরত ইবনে আব্বাস রা: থেকে বর্ণিত তিনি বলেন, …

Read More »

রোযাদার গোসলে সাবান ব্যবহার করতে পারবে।

রোযা রেখে গোসলের সময সাবান শ্যাম্পু ব্যবহার করতে কোন অসুবিধা নেই। কারণ সাবান বা শ্যাম্পু শরীরের উপরে পরিস্কার করে, ভেতরে প্রবেশ করে না।ফলে রোযার কোন ক্ষতি হবে না। কারণ হাদিসে এসেছে, عنِ ابنِ عبّاسٍ رَضِي اللَّهُ عنهُما قال إنما الفِطرُ مما دخلَ وليسَ مما خرجَ অর্থ: হযরত ইবনে আব্বাস রা: থেকে বর্ণিত তিনি বলেন, রোযা নষ্ট হয় শরীরে কিছু প্রবেশ …

Read More »