রোযাদার ইনজেকশন নিতে পারবে

ইনজেকশনের মাধ্যমে শরীরে ঔষধ প্রবেশ করালে, তা খাদ্যনালী দিয়ে প্রবেশ করে না। আর যেটা খাদ্যনালী দিয়ে প্রবেশ করে না, সেটা আহারের অন্তর্ভুক্ত নয়। মূলত কোরআন শরীফে খাদ্য আহার করা নিষেধ। মহান আল্লাহ বলেন,

وَكُلُوا وَاشْرَبُوا حَتَّىٰ يَتَبَيَّنَ لَكُمُ الْخَيْطُ الْأَبْيَضُ مِنَ الْخَيْطِ الْأَسْوَدِ مِنَ الْفَجْرِ ۖ ثُمَّ أَتِمُّوا الصِّيَامَ إِلَى اللَّيْل

অর্থ: আর পানাহার কর যতক্ষণ না কাল রেখা থেকে ভোরের শুভ্র রেখা পরিষ্কার দেখা যায়। অতঃপর রোযা পূর্ণ কর রাত পর্যন্ত।
(সূরা বাকারা আয়াত-১৮৭)

সুতরাং ইনজেকশনের মাধ্যমে কোন ঔষধ পেটে গেলেও যেহেতু খাদ্যনালী দিয়ে যায় না, ফলে সেটা আহারের অন্তর্ভুক্ত হবে না। যেমন নবীজি স: সুরমা ব্যবহার করেছেন। হাদিসে আসছে,

عن عائشة أم المؤمنين اكتَحلَ رَسولُ اللَّهِ صلّى اللَّهُ عليهِ وسلَّمَ وَهوَ صائمٌ

অর্থাৎ হযরত আয়েশা রা. বলেন নবিজি স: রোযা অবস্থায় চোখে সুরমা ব্যবহার করতেন।
সূত্র: ইবনে মাজা হাদিস-১৬৭৮ (হাদিস সহীহ) ফাতাওয়া হিন্দিয়া খ: ১ পৃ: ২০৩ রদ্দুল মুহতার খ:২ পৃ:৩৯৫

সুতরাং ইনজেকশন শরীরে প্রবেশ করা কেমন যেন সুরমা প্রবেশ করার মত।

 

লেখক:

মুফতী রিজওয়ান রফিকী

পরিচালক- মাদরাসা মারকাযুন নূর বোর্ড বাজার,গাজীপুর।

Check Also

ইমাম সাহেবের হুজরায় যেতে পারবে কি না?

إن خرج من غير عذر ساعة فسد اعتكافه অর্থাৎ কোনো প্রয়োজন ছাড়া যদি ইতিকাফকারী ব্যক্তি …

Leave a Reply

Your email address will not be published.