নারী নেতৃত্ব হালাল?

ইসলামে নারী নেতৃত্ব বৈধ নয়। সমাজ বা রাষ্ট্রের নেতৃত্ব দেয়ার যে যোগ্যতা থাকা জরুরী, সেটা আল্লাহ তা’য়ালা নারীকে দেননি। যার কারণে মহিলারা নামাজের ইমামতি করার অনুমতি শরীয়ত কর্তৃক পাননি। উপরন্তু নারী নেতৃত্বকে বিফলতার কারণ হিসাবে উল্লেখ্য করা হয়েছে সেই নবীজি সা. এর যুগে। অথচ তথাকথিত হেযবুত তওহীদ এই মহাসত্যকে অস্বীকার করে নাস্তিকদের সুরে কথা বলছে।

হেযবুত তওহীদের দাবি:

(ধর্মব্যবসায়ীরা) নারী নেতৃত্বকে হারাম ফতোয়া দিয়ে জীবনের প্রতিটি ক্ষেত্রে তারা নারীকে দ্বিতীয় শ্রেণীর মানুষ বানিয়ে রাখতে চায়।
সূত্র: গণমাধ্যমের করণীয় পৃ: ৬৩

নারীদের ঘরে থাকতে হবে, নারী নেতৃত্ব হারাম, ছেলেদের দাড়ি রাখতে হবে, আরবে লেবাস পড়তে হবে, নাচ গান ছবি আঁকা ভাস্কর্য তৈরি সব হারাম। কোরআন এগুলোর একটাকেও প্রত্যক্ষভাবে হারাম করেনি। কিন্তু ফতোয়া দিয়ে সবই নিষিদ্ধ করা হয়েছে।
সূত্র: ধর্মব্যবসার ফাঁদে পৃ:১১০

নারীদেরকে আল্লাহর রাসুল মানুষের মর্যাদা দিলেন। তাদেরকে প্রতিটি সামাজিক কর্মকাণ্ডে অংশগ্রহণ এমনকি নেতৃত্বে অধিকার দিলেন তাদেরকে দুর্ধর্ষ যোদ্ধায় পরিণত করলেন।
সূত্র: ধর্মব্যবসার ফাঁদে পৃ:১১৬

প্রকৃত ইসলামে নারীর আল্লাহ-রসূলের সাথে থেকে যুদ্ধ করেছে, যুদ্ধাহতদের সেবা করেছে, যুদ্ধের রসদ সরবরাহের কাজ করেছে, পুরুষদেরকে যুদ্ধের অনুপ্রেরণা যুগিয়েছে। তারা ব্যবসা-বাণিজ্য করেছে, হাসপাতাল পরিচালনা করেছে এবং স্বয়ং যুদ্ধে নেতৃত্ব দিয়েছে।
সূত্র: গণমাধ্যমের করণীয় পৃ: ৬২

যেখানে যুদ্ধক্ষেত্রের মত বিপদসংকুল এবং সবচেয়ে ঝুঁকিপূর্ণ কাজে পুরুষ সাহাবীদের পাশাপাশি নারী সাহাবীর অংশ নিয়েছেন সেখানে অর্থনৈতিক সামাজিক রাষ্ট্রীয় অন্যান্য কাজে যে নারীদের অগ্রণী ভূমিকা ছিল তা বলার অপেক্ষা রাখে না। তারা কখনও পুরুষের চেয়ে কোন অংশেই পিছিয়ে ছিলেন না। আবার পরবর্তীতে ইসলামের স্বর্ণযুগে জ্ঞান-বিজ্ঞানের নারীদের উল্লেখযোগ্য ভূমিকা দেখতে পাই। সুতরাং আল্লাহর সত্যদীন প্রতিষ্ঠিত হলে নারীদের সম্মান ও মর্যাদার সঙ্গে জাতীয় সামাজিক প্রয়োজনে নিশ্চিন্তে নির্ভিঘ্নে যেকোনো ভূমিকা রাখতে পারবে।
সূত্র: আসুন সিস্টেমটাকেই পাল্টাই পৃ:১৪

হেযবুত তওহীদের নারীরা এই দুই ধরনের অন্ধকার থেকে বের হয়ে এসেছে। তারা শালীনতা সহকারে পুরুষের পাশাপাশি সব কাজে অংশগ্রহণ করে। শহরে ও প্রত্যন্ত অঞ্চলে বাড়িতে বাড়িতে গিয়ে তারা তওহীদের বালাগ দিয়েছেন। তারা পত্রিকা বিক্রি করছে, সেমিনার করছে, আলোচনা সভায ও বক্তৃতায় অংশগ্রহণ করছে, সাংবাদিকতা করছে, অফিসে কাজ করছে, চিকিৎসা সেবা প্রদান করছে, শিক্ষকতা করছে, গার্মেন্টে চাকুরি করছে, অনেকে ঘরে খাদ্যদ্রব্য প্রস্তুত করে তা বিক্রি করছে। যে কোনো কাজেই তাদের স্বতঃস্ফূর্ত অংশগ্রহণ থাকে। সত্য প্রচার এর কারণে তারাও অনেক জেল জুলুমের শিকার হয়েছে, ধর্মব্যবসায়ীদের অত্যাচার, নির্যাতন সহ্য করেছে, নিজের ঘরবাড়ি ও সংসার থেকে বহিস্কৃত হয়েছে, অনেকে স্বামী-সন্তান ত্যাগ করতে বাধ্য হয়েছেন যেটা অনেক নারী সাহাবীদের বেলায় হয়েছিল।
সূত্র: গণমাধ্যমের করণীয় পৃ: ৬৬

প্রকৃত ইসলামে নারীকে যে সম্মান ও মর্যাদা দিয়েছিল সেটা এখন ইতিহাস হয়ে গেছে। বর্তমানের বিকৃত ইসলামে তার লেশমাত্রও নেই। তাই এখন নারী অধিকার নিয়ে যারা কাজ করছেন তারা ইসলামের ঘোরবিরোধী। হবে না-ই বা কেন? শত বছর ধরে নারীকে ঐসব বিকৃত ফতোয়ার বলি হয়ে নিষ্ঠুর নির্যাতনের শিকার হতে হয়েছে। ইসলামের নামে নারীকে অবরুদ্ধ করা হয়েছে, শোষণ করা হয়েছে, অবদমিত করা হয়েছে। কোরআন নারী ও পুরুষকে একে অপরের সহযোগী বলে ঘোষণা দিয়েছে। সেটা অবশ্যই জীবনের সর্ব অঙ্গনে। কিন্তু ধর্মের বিকৃত ব্যাখ্যা দিয়ে নারীকে সামাজিক জীবনের সকল কর্মকাণ্ড থেকে নিবৃত্ত করা হয়েছে।
সূত্র: ইসলাম কেন আবেদন হারাচ্ছে পৃ:২৫

যেখানে যুদ্ধক্ষেত্রের মত বিপদসংকুল এবং সবচেয়ে ঝুঁকিপূর্ণ কাজে পুরুষ সাহাবীদের পাশাপাশি নারী সাহাবীর অংশ নিয়েছেন সেখানে অর্থনৈতিক সামাজিক রাষ্ট্রীয় অন্যান্য কাজে যে নারীদের অগ্রণী ভূমিকা ছিল তা বলার অপেক্ষা রাখে না। তারা কখনও পুরুষের চেয়ে কোন অংশেই পিছিয়ে ছিলেন না। আবার পরবর্তীতে ইসলামের স্বর্ণযুগে জ্ঞান-বিজ্ঞানের নারীদের উল্লেখযোগ্য ভূমিকা দেখতে পাই। সুতরাং আল্লাহর সত্যদীন প্রতিষ্ঠিত হলে নারীদের সম্মান ও মর্যাদার সঙ্গে জাতীয় সামাজিক প্রয়োজনে নিশ্চিন্তে নির্ভিঘ্নে যেকোনো ভূমিকা রাখতে পারবে।
সূত্র: আসুন সিস্টেমটাকেই পাল্টাই পৃ:১৪

আল্লাহর রসূল নারীদের পর্দা দোহাই দিয়ে ঘরের কোনায় বসিয়ে রেখেছিলেন এমন কোনো ইতিহাস কেউ দেখাতে পারবেন না। তারা আল্লাহ-রসূলের সাথে একসাথে সালাহ কায়েম করতেন, রসূলের সামনে বসে কথা শুনতেন, জাতীয় বিষয়ে পরামর্শ দিতেন। এমনকি ব্যক্তিগত সামান্য বিষয়েও রাসুলুল্লাহর সাথে আলাপ করতেন।
সূত্র: গণমাধ্যমের করণীয় পৃ: ৬২

মসজিদে নববীর পাশে যুদ্ধাহতদের চিকিৎসা প্রদানের জন্য একটি হাসপাতাল স্থাপন করা হয়েছিল, যার তত্ত্বাবধায়ক ছিলেন একজন নারী। রুফাইদা রা:।
সূত্র: ইসলাম কেন আবেদন হারাচ্ছে পৃ:৪৭

১৪০০ বছর আগে যে যুগে মেয়ে শিশুকে জীবন্ত কবর দেওয়া হতো সেই সময়ে ইসলাম এমন পরিবর্তন এনেছিল যে আম্মা আয়েশা রা: উটের যুদ্ধে সেনাবাহিনীর নেতৃত্ব পর্যন্ত দিয়েছিলেন। মদিনার বাজার ব্যবস্থা নিয়ন্ত্রণের দায়িত্বে ছিলেন শেফা রা:। এভাবে নারীর ক্ষমতায়ন ও অংশগ্রহণ ছিল সমাজের সর্বত্র।
সূত্র: গণমাধ্যমের করণীয় পৃ: ৬৩ প্রস্তাবনা পৃ:৬

ইসলাম কি বলে?

নারী নেতৃত্ব ইসলামে হারাম করা হয়েছে। রাষ্ট্রীয় ক্ষমতার জন্য সর্বসম্মতিক্রমে পুরুষ হওয়া শর্ত। ইসলামের প্রথম যুগের সাহাবা, তাবিয়িন সবাই এ ব্যাপারে একমত পোষণ করেছেন। যার কারণে খুলাফায়ে রাশেদা হিসাবে কোনো নারী সাহাবী ছিলেন না। সাহাবা-তাবেয়ীদেরই অনুসরণ করেছেন সব মাজহাবের ইমামগণ, ফুকাহায়ে কেরাম, উলামায়ে কেরাম, মুহাদ্দিসগণ ও মুফাসসিরগণ। সবাই ইজমা (ঐকমত্য পোষণ) করেছেন যে, নারীরা রাষ্ট্রীয় ক্ষমতায় আরোহণের যোগ্য নয়, কোনো ইসলামি রাষ্ট্রের প্রধান নেতা (খলিফা) হিসেবে তাদেরকে নিয়োগ দেওয়া জায়েজ নেই। মহান আল্লাহ পবিত্র কুরআন শরীফে বলেন,

الرِّجَالُ قَوَّامُونَ عَلَى النِّسَاءِ بِمَا فَضَّلَ اللَّهُ بَعْضَهُمْ عَلَى بَعْضٍ

অর্থ: পুরুষরা নারীদের উপর অভিভাবক, কর্তা, এটা এজন্য যে, আল্লাহ তা’য়ালা কতককে কতকের উপর ফজীলত দান করেছেন’।
সূরা নিসা আয়াত: ৩৪

উপরন্তু বিশ্বনবী স: হাদিসে বলেন,

عَنْ أَبِيْ بَكْرَةَ قَالَ لَقَدْ نَفَعَنِي اللهُ بِكَلِمَةٍ سَمِعْتُهَا مِنْ رَسُوْلِ اللهِ صلى الله عليه وسلم أَيَّامَ الْجَمَلِ بَعْدَ مَا كِدْتُ أَنْ أَلْحَقَ بِأَصْحَابِ الْجَمَلِ فَأُقَاتِلَ مَعَهُمْ قَالَ لَمَّا بَلَغَ رَسُوْلَ اللهِ صلى الله عليه وسلم أَنَّ أَهْلَ فَارِسَ قَدْ مَلَّكُوْا عَلَيْهِمْ بِنْتَ كِسْرَى قَالَ لَنْ يُفْلِحَ قَوْمٌ وَلَّوْا أَمْرَهُمْ إِمْرَأَةً

অর্থ: হযরত আবূ বাকরাহ (রাঃ) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম থেকে শ্রুত একটি বাণীর দ্বারা আল্লাহ জঙ্গে জামালের (উষ্ট্রের যুদ্ধ) দিন আমার মহা উপকার করেছেন, যে সময় আমি সাহাবায়ে কিরামের সঙ্গে মিলিত হয়ে জামাল যুদ্ধে শারীক হতে প্রায় প্রস্তুত হয়েছিলাম। আবূ বাকরাহ (রাঃ) বলেন, সে বাণীটি হল, যখন নাবী সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর কাছে এ খবর পৌঁছল যে, পারস্যবাসী কিসরা কন্যাকে তাদের বাদশাহ মনোনীত করেছেন, তখন তিনি বললেন, সে জাতি কক্ষণো সফল হবে না স্ত্রীলোক যাদের প্রশাসক হয়।
সূত্র: সহিহ বুখারী হাদিস: ৪৪২৫ সহিহ ইবনে হিব্বান: ৪৫১৬ মুসনাদে আহমাদ: ২০৪০২

عَنْ أَبِي هُرَيْرَةَ قَالَ قَالَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم ‏ إِذَا كَانَ أُمَرَاؤُكُمْ خِيَارَكُمْ وَأَغْنِيَاؤُكُمْ سُمَحَاءَكُمْ وَأُمُورُكُمْ شُورَى بَيْنَكُمْ فَظَهْرُ الأَرْضِ خَيْرٌ لَكُمْ مِنْ بَطْنِهَا وَإِذَا كَانَ أُمَرَاؤُكُمْ شِرَارَكُمْ وَأَغْنِيَاؤُكُمْ بُخَلاَءَكُمْ وَأُمُورُكُمْ إِلَى نِسَائِكُمْ فَبَطْنُ الأَرْضِ خَيْرٌ لَكُمْ مِنْ ظَهْرِهَا ‏

অর্থ: হযরত আবূ হুরাইরা (রাঃ) হতে বর্ণিত আছে, তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেনঃ যখন তোমাদের মধ্যকার উত্তম লোক তোমাদের শাসক হবে তোমাদের সম্পদশালীরা দানশীল হবে এবং তোমাদের কর্ম পারস্পরিক পরামর্শের ভিত্তিতে সম্পন্ন হবে, তখন ভূতলের তুলনায় ভূপৃষ্ঠই তোমাদের জন্য উত্তম হবে। আর যখন তোমাদের মধ্যকার খারাপ লোক তোমাদের শাসক হবে, তোমাদের সম্পদশালীরা কৃপণ হবে এবং তোমাদের কার্যবলী তোমাদের নারীদের উপর ন্যস্ত করা হবে তখন ভূতলই ভূপৃষ্ঠের তুলনায় তোমাদের জন্য উত্তম হবে (অর্থাৎ জীবনের চেয়ে মৃত্যুই উত্তম)।
সূত্র: সুনানে তিরমিযী হাদীস: ২২৬৬

عَنْ أَبِي بَكْرَةَ أَنَّ النَّبِيَّ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ كَانَ عِنْدَ بَعْضِ نِسَائِهِ فَأَتَاهُ بَشِيرٌ يُبَشِّرُهُ بِظَفَرِ أَصْحَابِهِ قَالَ فَخَرَّ سَاجِدًا ثُمَّ قَالَ لِلرَّسُولِ حَدِّثْنِي قَالَ الَّذِي يَلِي أَحَدَهُمُ امْرَأَةٌ قَالَ رَسُولُ اللَّهِ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ هَلَكَتِ الرِّجَالُ حِينَ أَطَاعَتِ النِّسَاءَ

অর্থ: হযরত আবু বকরাহ রা. বর্ণনা করেন, রাসুলে করীম স: একবার কোথাও সৈন্যদল প্রেরন করলেন। সেখান থেকে এক ব্যক্তি বিজয়ের সু-সংবাদ নিয়ে এলে বিজয়ের সুসংবাদ শুনে তিনি সিজদায় লুটিয়ে পড়লেন। সিজদা’র পর তিনি সংবাদ বাহককে বললেন, বিস্তারিত বিবরণ বলো। সংবাদদাতা বিস্তারিত ঘটনাবলীর মধ্যে একটি বিষয় এও ছিল যে, একজন নারী তাদের নেতৃত্ব করছিল। রাসুলুল্লাহ (সাঃ) একথা শুনে বললেন, পুরুষরা যখন নারীদের অনুগত্য করা শুরু করে দিবে, তখন তারা বরবাদ-ধ্বংস হয়ে যাবে’।
সূত্র: মুসতাদরাকে হাকেম: হাদিস ৭৮৭০ জামে সগীর: ৯৫৭৭ আহমাদ: ২০৪৫৫

পবিত্র কুরআনে সূরা আহযাবে নারীদের যে গন্ডিসীমার বর্ণনা দেয়া হয়েছে, রাসুলুল্লাহ স: একটি হাদিসে তার ‘সমর্থিত ব্যাখ্যা’ দিয়েছেন এভাবে-

 وَالرَّجُلُ رَاعٍ عَلَى أَهْلِ بَيْتِهِ وَهُوَ مَسْئُولٌ عَنْهُمْ وَالْمَرْأَةُ رَاعِيَةٌ عَلَى بَيْتِ بَعْلِهَا وَوَلَدِهِ وَهِيَ مَسْئُولَةٌ عَنْهُمْ

অর্থ: একজন পুরুষ তার পরিবার পরিজনদের দায়িত্বশীল, কাজেই সে তাদের বিষয়ে জিজ্ঞাসিত হবে। একজন নারী হল তার স্বামীর ‘গৃহবাসী ও তার সন্তান-সন্ততির’ রক্ষনাবেক্ষনকারী। (এটাই তার জিম্মাদারী ও দায়িত্ব)। সে তাদের ব্যপারে জিজ্ঞাসীত হবে।’
সূত্র: সহিহ বুখারী হাদীস: ২৫৫৪ মুসলিম: ১৮২৯ আবু দাউদ: ২৯২৮ তিরমিযি: ১৭০৫ আহমাদ: ৫৯০১

প্রিয় পাঠক, এই হাদীসে পরিষ্কার করে বলে দেয়া হয়েছে যে, নারীদের দায়িত্ব হল বাড়ির ব্যবস্থাপনার দেখাশোনা করা, সন্তান-সন্ততির তরবিয়ত ও পরিচর্যা করা এবং ব্যক্তিগত ব্যপারগুলোর সু-বন্দোবস্থ করা। গৃহের বহিঃর্ভাগের কোনো দায়িত্ব তার কাধে সোপর্দ করা হয়নি। এ কথাটি যে শুধু আমাদের কথা, তাই নয়, বরং হেযবুত তওহীদও নারী অধিকার বিষয়ে প্রসঙ্গক্রমে বলেই ফেলেছে-
“নারীর অধিকার হলো সে একটি সংসার লাভ করবে যেখানে তার সকল মৌলিক চাহিদা পূরণের নিশ্চয়তা থাকবে।… যেহেতু নারীর শারীরিক ও মানসিকভাবে পুরুষ অপেক্ষা কোমলতর তাই জীবনের প্রতিটি অবস্থানেই তার সুরক্ষার আবশ্যকতা রয়েছে। এজন্য পুরুষকে পারিবারিক জীবনে নারী রক্ষাকারী ও অভিভাবক হিসেবে দায়িত্ব প্রদান করা হয়েছে।”
সূত্র: গণমাধ্যমের করণীয় পৃ: ৬৪

সকল উম্মতের ঐক্যবদ্ধ সিদ্ধান্ত:

و اتفقوا ان الامامة لا تجوز لامراة

অর্থ: সকল ওলামায়ে কেরাম এব্যপারে একমত যে, কোনো নারীর জন্য ‘রাষ্ট্র প্রধান’ হওয়া জায়েয নয়’।
সূত্র: মারাতিবুল ইজমা (ইবনে হাযাম র:) পৃ: ১২৬

সুতরাং এমন সুস্পষ্ট আয়াত,হাদিস ও উম্মতের ইজমা তথা ঐক্যবদ্ধ সিদ্ধান্ত থাকা সত্তেও যারা নারী নেতৃত্ব হালাল দাবি করে, তারা মুক্তমনাদের মিশন বাস্তবায়ন করতে চায়।

Check Also

দিবস পালন

  ইসলামে দুই ঈদ ব্যাতিত কোনো দিবস পালন করা বৈধ নয়। কিন্তু এ মহাসত্যকে অস্বীকার …

12 comments

  1. Howdy are using WordPress for your blog platform? I’m new to the blog world but I’m trying to get started and set up my own. Do you need any html coding knowledge to make your own blog?
    Any help would be really appreciated! 0mniartist asmr

  2. Thanks for sharing such a fastidious thought, post is nice, thats
    why i have read it fully 0mniartist asmr

  3. Thanks in support of sharing such a pleasant thought,
    post is fastidious, thats why i have read it fully asmr 0mniartist

  4. My family every time say that I am killing my time here at web,
    except I know I am getting knowledge everyday by reading such nice articles or reviews.
    0mniartist asmr

  5. Do you have a spam problem on this website; I also am a blogger, and I was wanting to know your situation; we have developed some nice
    procedures and we are looking to exchange solutions with other folks, be sure to shoot me an e-mail if interested.
    asmr 0mniartist

  6. Hello, all is going perfectly here and ofcourse every one is sharing information, that’s in fact excellent, keep up writing.

  7. scoliosis
    Incredible points. Solid arguments. Keep up the great work.
    scoliosis

  8. scoliosis
    I every time used to study article in news papers but now as I am a user of web so from now I am using net
    for posts, thanks to web. scoliosis

  9. scoliosis
    Pretty element of content. I just stumbled upon your website and in accession capital to
    assert that I acquire actually enjoyed account your blog
    posts. Any way I will be subscribing to your feeds
    or even I success you access constantly quickly.

    scoliosis

  10. scoliosis
    Appreciation to my father who shared with me regarding this blog, this weblog is really amazing.
    scoliosis

Leave a Reply

Your email address will not be published.