Home > হিজবুত তাওহীদ > ইসলাম কি অন্য ধর্মের মত?

ইসলাম কি অন্য ধর্মের মত?

প্রিয় পাঠক! গত পর্বে হেযবুত তওহীদের দাবি দিয়েই প্রমাণ করেছিলাম যে, যুগ যুগ ধরে আল্লাহর মনোনীত ধর্ম ইসলাম তার নিজস্ব স্বকীয়তায় অবিকৃত অবস্থায় আমাদের মাঝে আজও বিদ্যমান রয়েছে। কিন্তু দুঃখজনক হলেও সত্য এই যে, এ চিরসত্যকে মিথ্যা সাব্যস্ত করতে হেযবুত তওহীদ আদাজল খেয়ে মাঠে নেমেছে। তারা ইসলাম ধর্মকে অন্য ধর্মের মত একটি ধর্ম বলে প্রচার করতে বদ্ধপরিকর। চলুন কি বলছেন তারা দেখা যাক-

হেযবুত তওহীদের দাবি:

১. প্রচলিত ইসলাম আসল ইসলামের বিপরীত:

“এমামুযযামান আরও বুঝতে সক্ষম হোলেন, আল্লাহর রসুলের ওফাতের এক শতাব্দি পর থেকে এই দীন বিকৃত হোতে হোতে ১৩ শ বছর পর এই বিকৃতি এমন পর্যায়ে পৌঁছেছে যে, ঐ সত্যিকার এসলামের সাথে বর্ত্তমানে এসলাম হিসাবে যে ধর্মটি সর্বত্র পালিত হোচ্ছে তার কোনই মিল নেই, ঐ জাতিটির কোন মিল নেই। শুধু তাই নয়, বর্ত্তমানে প্রচলিত এসলাম সীমাহীন বিকৃতির ফলে এখন রসুলাল্লার আনীত এসলামের সম্পূর্ণ বিপরীত একটি বিষয়ে পরিণত হয়েছে।”
সূত্র: মহাসত্যের আহ্বান (ছোট) পৃষ্ঠা-২২

তারা আরও লিখেছেন,
“বর্তমানে প্রচলিত ইসলাম রসূলুল্লাহর আনীত এসলামের সম্পূর্ণ বিপরীত একটি বিষয়ে পরিণত হয়েছে। এমনকি দীনের ভিত্তি তওহীদ পর্যন্ত হারিয়ে গেছে।”
সূত্র: জঙ্গিবাদ সংকট সমাধানের উপায় পৃষ্ঠা-৬৩

”আল্লাহর দেওয়া প্রকৃত ইসলাম মহানবী যেভাবে পৃথিবীতে রেখে গিয়েছিলেন, সেটা গত ১৩০০ বছরের কাল পরিক্রমায় বিকৃত হতে হতে বর্তমানে একেবারে বিপরীতমুখী হয়ে গেছে।”
সূত্র: আসুন সিস্টেমটাকেই পাল্টাই পৃ:৫ সওমের উদ্দেশ্য পৃ:১৩ আল্লাহর মো’জেজা হেযবুত তওহীদের বিজয় ঘোষণা-২৩ তাকওয়া ও হেদায়াহ-১ এসলামের প্রকৃত রুপরেখা-১৮

“আল্লাহ-রাসূলের সেই প্রকৃত ইসলাম একটি শিয়ালকে সিংহে রূপান্তরিত করে আর আমাদের বর্তমানের এই ইসলাম সিংহকে শিয়ালে পরিণত করে। ”
সূত্র: মহাসত্যের আহ্বান পৃষ্ঠা-৫৭

“বর্তমানে আমরা এসলাম নামক যে ধর্মটি দেখছি সেটি কিন্তু আল্লাহর দেওয়া প্রকৃত এসলাম নয়। অতীতের সবগুলি ধর্মই যেমন কাল পরিক্রমায় বিকৃত হয়ে গেছে এসলামও ১৩০০ বছরে বিকৃত হোতে হোতে একেবারে বিপরীতমুখী হোয়ে গেছে শুধুমাত্র পবিত্র কোর’আনকে বিকৃত করতে পারেনি।”
সূত্র: জঙ্গিবাদ সংকট সমাধানের উপায় পৃষ্ঠা-৫৩।

“তাহলে যে জীবন ব্যবস্থা সমাজকে এমন উন্নতি এমন প্রগতি দিয়েছিল, এমন শান্তি ও নিরাপত্তা এনে দিয়েছিল, সেটা আর আমাদের আলেমরা মক্তবে, মসজিদে, মাদ্রাসায়, খানকায়ে যে ধর্মটা চর্চা কোরছেন সেটা কি এক? কখনই এক নয়।”
সূত্র: এ জাতির পায়ে লুটিয়ে পড়বে বিশ্ব পৃ:৫৫

”যাত্রাদলের বন্দুকের সঙ্গে আসল বন্দুকের যতটা পার্থক্য, প্রকৃত এসলামের সঙ্গে বর্তমান এসলামের ততটাই পার্থক্য। এ দু’টির চলার পথ সম্পূর্ণ বিপরীত।”
সূত্র: এসলাম শুধু নাম থাকবে পৃ:৯/৬৬ সূত্র: আল্লাহর মো’জেজা হেযবুত তওহীদের বিজয় ঘোষণা-৯

২. প্রচলিত ইসলাম অগ্নীপূজকদের রঙ-এ রঙিন:

”আরবের ইসলাম পারস্যের ভেতর দিয়ে ভারতে, এই উপমহাদেশে আসার পথে পার্শি ধর্ম,কৃষ্টি ও ভাষার রং-এ রং বদলিয়ে রঙিন হয়ে এল।”
সূত্র: ইসলামের প্রকৃত সালাহ-৭

৩. প্রচলিত ইসলাম বিধর্মীদের মতই একটি ধর্ম:

“তারা (ইহুদী-খ্রীস্টান) যে ইসলাম টা দেখছে সেটা আসলে তাদেরই তৈরি অন্যান্য ধর্মের মতো একটি ধর্ম মাত্র, এটা আল্লাহ রসূলের ইসলামই নয়।”
সূত্র: বর্তমানের বিকৃত সুফিবাদ পৃ:৩৪

”এই সামরিক দীন পৃথিবীর অন্যান্য অসামরিক দীনের পর্যায়ে পর্যবসিত হলো অর্থাৎ খ্রিষ্টান,বৌদ্ধ,হিন্দু,ইহুদি,জৈন ইত্যাদি বহু দীনের(ধর্মের) মত আরেকটি ধর্মে পরিণত হলো যেটার উদ্দেশ্য এবাদত,পূজা,উপাসনা করে আত্মার চর্চা করা।”
সূত্র: ইসলামের প্রকৃত সালাহ পৃ:২০

৪. প্রচলিত ইসলাম খৃষ্টানদের বানানো ধর্ম:

“এই বিকৃত এবং অনেকাংশে মনগড়া এসলামগুলি শিক্ষা কোরেছেন ব্রিটিশ খ্রিস্টানদের প্রতিষ্ঠিত মাদ্রাসাগুলি থেকে।”
সূত্র: আসুন সিস্টেমটাকেই পাল্টাই-১৮
এসলামের প্রকৃত রুপরেখা-২১

”আজ আমাদের রাজনৈতিক আর্থ-সামাজিক জীবন পরিচালিত হোচ্ছে পাশ্চাত্যের খ্রিষ্টানদের তৈরি করা নানা রকম তন্ত্র-মন্ত্র দিয়ে আর ব্যক্তিগত ধর্মীয় জীবন পরিচালিত হোচ্ছে খ্রিষ্টান পণ্ডিতদের তৈরি করা বিকৃত ও বিপরীতমুখী এসলাম দিয়ে, আল্লাহ রসুলের এসলাম দিয়ে নয়।”
সূত্র: এসলাম শুধু নাম থাকবে পৃ:১৩/৭০/১১৩/১১৬

“এই জাতি যাতে আর মাথা উঁচু কোরে দাঁড়াতে না পারে সে জন্য খ্রীস্টান মনিবরা এক শয়তানি ফন্দি আঁটলো। তারা তাদের গোলাম মোসলেমদের প্রকৃত এসলাম থেকে বিচ্যুত করে তাদের পছন্দমত একটি এসলাম শিক্ষা দেবার জন্য তাদের অধিকৃত সমস্ত মুসলিম দুনিয়ায় মাদ্রাসা প্রতিষ্ঠা কোরল। তারা অনেক গবেষণা করে একটি বিকৃত এসলাম তৈরি কোরল। যেটা বাহ্যিকভাবে দেখতে প্রকৃত এসলামের মতই কিন্তু আসলে ভেতরে, আকীদায়, আত্মায়, চরিত্রে আল্লাহ-রাসুলের প্রকৃত এসলামের একেবারে বিপরীত।”
সূত্র: মহাসত্যের আহ্বান (ছোট) পৃ:৪

“আমরা আজ এসলাম বোলতে সেই এসলামই বুঝি যে “এসলাম” খ্রীস্টান পণ্ডিতরা তৈরি কোরে ১৪৬ বছর ধরে আমাদের শিক্ষা দিয়েছে।”
সূত্র: যুগসন্ধিক্ষণে আমরা পৃ:১৯

প্রিয় পাঠক! কুফরী সংগঠন হেযবুত তওহীদ উপরোক্ত কথাগুলো দ্বারা বুঝাতে চাচ্ছে যে, ইসলাম ধর্মটি এখন আর আল্লাহ ও তাঁর রসুল স: এর ধর্ম নেই বরং অন্য ধর্মের মত একটি ধর্মে রুপান্তরিত হয়ে গেছে। শুধু তাই নয়, বরং তাদের দাবি হলো- প্রচলিত ইসলামটা খ্রীষ্টানদের আবিস্কার করা।

ইসলাম কি বলে?

এক.

ইসলাম কি খ্রীস্টনদের বানানো?

প্রিয় পাঠক! আমরা জানি ১৭৮১ সালে খ্রীষ্টান গভর্নর ওয়ারেন হেস্টিংস এর মাধ্যমে কলিকাতা আলিয়া মাদরাসা প্রতিষ্ঠা লাভ করে এবং সেখানে পরবর্তি ২৭ জন প্রিন্সিপাল ছিলেন খ্রীষ্টান। আর এ কারণেই হেযবুত তওহীদের দাবি হলো- বর্তমানের এ ইসলাম খ্রীষ্টানদের শিখানো।

তাহলে যদি তাদেরকে পাল্টা প্রশ্ন করা হয় যে, তর্ক এড়াতে যদি ধরেও নেওয়া হয় যে, কলিকাতা আলিয়া মাদরাসা থেকে পড়ালেখা করা সকলেই খ্রীষ্টানদের ইসলাম শিখেছেন এবং প্রচার করেছেন, কিন্তু এ কথা তো সত্য যে, কওমী মাদরাসা ইংরেজ-বেনিয়ারা তৈরি করেননি। বরং যারা ইংরেজ বিরোধী আন্দোলনের মূল নায়ক ছিলেন, বিশেষ করে; কাসেম নানুতুবী র: মাহমুদুল হাসান দেওবন্দী র: হুসাইন আহমাদ মাদনী র: তাদের মাধ্যমেই এ মাদরাসার পথ চলা। তাহলে দেওবন্দী উলামায়ে কেরামের কাছে যে ইসলাম রয়েছে, সেটা কি করে খ্রীষ্টানদের ইসলাম হয়? যেহেতু দেওবন্দী উলামায়ে কেরাম ইংরেজদের থেকে কোনো জ্ঞান অর্জন করেননি, বরং তাদেকে বিতাড়িত করেছেন উলামায়ে দেওবন্দ। সুতরাং কওমী উলামাদের কাছে যে ইসলাম রয়েছে সেটা নিঃসন্দেহে আল্লাহ ও তাঁর রসুলের সা. প্রকৃত ইসলাম, খ্রীষ্টানদের ইসলাম নয়।

দুই.

হেযবুত তওহীদ লিখছেন যে,

‘প্রকৃত এসলাম তেরশ’ বছর আগেই হারিয়ে গেছে’
সূত্র: এসলাম শুধু নাম থাকবে পৃ:৬১

অর্থাৎ হেযবুত তওহীদের এক দাবিতে বলছে, ‘প্রচলিত এ ধর্মটি বিকৃত হয়েছে ১৩০০ বছর আগে।’ আবার অন্যত্র লিখেছেন ভিন্ন কথা। তাদের আরেক দাবি হলো,

“এই বিকৃত এবং অনেকাংশে মনগড়া এসলামগুলি শিক্ষা কোরেছেন ব্রিটিশ খ্রিস্টানদের প্রতিষ্ঠিত মাদ্রাসাগুলি থেকে।”
সূত্র: আসুন সিস্টেমটাকেই পাল্টাই-১৮
এসলামের প্রকৃত রুপরেখা-২১

তাহলে এ বক্তব্য দ্বারা বুঝা যাচ্ছে, ইসলাম বিকৃত হয়েছে খ্রীষ্টানদের তৈরি মাদরাসাগুলো থেকে। আর একথা সূর্যের ন্যায় স্পষ্ট যে, খ্রীষ্টানরা মাদরাসা তৈরির সূচনা করেছে ১৭৮১ সালে কলিকাতা আলিয়া মাদরাসা তৈরির মাধ্যমে। তাহলে বুঝা যাচ্ছে, এই লেখার মাধ্যমে তারা বুঝাতে চায় যে, ইসলাম বিকৃত হয়েছে মাত্র গত দুইশত বছরের আগ থেকে। অথচ আগের বক্তব্যগুলো দ্বারা তারা দাবি করল, ইসলাম বিকৃত করেছে ১৩০০ বছর আগেই। তাহলে আমরা হেযবুত তওহীদের কোন কথাটি সত্য হিসাবে মানবো? আগের কথা নাকি পরের কথা? দু’টোর যেকোনো একটা সত্য হলে আরেকটি নিশ্চয় মিথ্যা। তার অর্থ দাঁড়াল, হেযবুত তওহীদের দাবি মিথ্যায় ভরা। আর মিথ্যুকদের কথা গ্রহণযোগ্য হতে পারে না।

তিন.

মহান আল্লাহ বলেন,

هُوَ الَّذِي أَرْسَلَ رَسُولَهُ بِالْهُدَى وَدِينِ الْحَقِّ لِيُظْهِرَهُ عَلَى الدِّينِ كُلِّهِ وَلَوْ كَرِهَ الْمُشْرِكُونَ

অর্থ: তিনি তাঁর রসূলকে পথ নির্দেশ ও সত্যধর্ম নিয়ে প্রেরণ করেছেন, যাতে একে সবধর্মের উপর প্রবল করে দেন যদিও মুশরিকরা তা অপছন্দ করে।
সুরা সফ আয়াত- ৯

প্রিয় পাঠক, যে ইসলাম ধর্মটি এসেছে সকল ধর্মকে ধুলিস্যাৎ করতে, সে ইসলামের ব্যপারে যদি কেউ বলে যে, “বিশ্বব্যপী চলমান ইসলাম খ্রীষ্টানরা বিকৃত করে ফেলেছে” তাহলে এ কথাটির অর্থ কি এই দাঁড়ালো না যে, মহান আল্লাহ ইসলাম পাছিয়েছিলেন সব ধর্ম ধ্বংস করে ইসলাম প্রতিষ্ঠিত করতে। কিন্তু সেটা হলো না বরং অন্য ধর্ম ইসলামকে ধ্বংস করে দিয়েছে। এ বিষয়টা কি অত্র আয়াতের প্রকাশ্য বিরোধী নয়?

চার.

হেযবুত তওহীদের দাবি হলো,

”এই সামরিক দীন পৃথিবীর অন্যান্য অসামরিক দীনের পর্যায়ে পর্যবসিত হলো অর্থাৎ খ্রিষ্টান,বৌদ্ধ,হিন্দু,ইহুদি,জৈন ইত্যাদি বহু দীনের(ধর্মের) মত আরেকটি ধর্মে পরিণত হলো যেটার উদ্দেশ্য এবাদত,পূজা,উপাসনা করে আত্মার চর্চা করা।”
সূত্র: ইসলামের প্রকৃত সালাহ পৃ:২০

অর্থাৎ এ ইসলাম অমুসলিমদের ধর্মের মতই একটি ধর্ম। অথচ মহান রব বলেন,

وَلَا تَلۡبِسُوا۟ ٱلۡحَقَّ بِٱلۡبَـٰطِلِ

অর্থাৎ তোমরা সত্যকে মিথ্যার সাথে মিশ্রিত করে দিও না। সুরা বাকারা-৪২

উল্লেখিত আয়াতের ব্যাপারে হযরত কাতাদাহ রঃ বলেন-

وَقَالَ قَتَادَةُ وَلا تَلْبِسُوا الْحَقَّ بِالْبَاطِل وَلَا تَلْبِسُوا الْيَهُودِيَّةَ وَالنَّصْرَانِيَّةَ بِالْإِسْلَامِ إِنَّ دِينَ اللَّهِ الْإِسْلَامُ وَالْيَهُودِيَّةَ وَالنَّصْرَانِيَّةَ بِدْعَةٌ لَيْسَتْ مِنَ اللَّهِ

অর্থাৎ ইয়াহুদী,খ্রীষ্টানদের সাথে ইসলামকে মিশ্রিত করো না। নিশ্চয় আল্লাহর ধর্ম হলো ইসলাম। (কারন বর্তমানের) ইয়াহুদী, খ্রীষ্টান নব্য আবিস্কৃত। আল্লাহর দ্বীন নয়।
সূত্রঃ তাফসীরে ইবসে কাসীর খঃ১ পৃঃ৩৭৯ মাআলিমুত তানযিল খঃ১ পৃঃ৮৭ জাযিরাতুল আরব খঃ১ পৃঃ৬৬

সুতরাং পবিত্র ইসলাম ধর্মকে ইহুদী-খ্রীস্টান,হিন্দু,বৈদ্ধ,জৈন ও অগ্নীপুজকদের ধর্মের সাথে মিলানো এ আয়াতের প্রকাশ্য বিরোধী নয় কি?

উপরন্তু হেযবুত তওহীদ নিজেরাই লিখেছে, নবীজি সা. সত্য মিথ্যা একসাথে মিশ্রণ করতেন না। তাদের লেখা-

“আল্লাহ রাসুল কোনদিন প্রতিপক্ষের সঙ্গে কোয়ালিশন করে ক্ষমতায় যাননি। তিনি যুদ্ধ করেছেন, যুদ্ধবিরতি চুক্তি করেছেন, সন্ধি করেছেন এসবই তিনি করেছেন কাফেরদের সঙ্গে। কিন্তু সত্য ও মিথ্যা কে,ঈমান ও কুফরকে দীন ও তাগুতকে তিনি কোনোদিন মিশ্রিত হতে দেননি। তার নীতি ছিল মিথ্যার সাথে কোন আপোষ হবে না।”
সূতঃ ধর্মব্যবসার ফাঁদে পৃষ্ঠা-১৬২

তাহলে সত্য ধর্ম ইসলামকে মিথ্যা ধর্মগুলোর সাথে তুলনা করে তারা নিজেরাই নবীজি সা. এর আমলের বিপরীত আমল করলেন না?

Check Also

উম্মতের বয়স ৬০/৭০ বছর।

প্রিয় পাঠক, আমি আগাগোড়াই বলে আসছি, হেযবুত তওহীদ একটি ভ্রান্ত দল। তাদের এ ভ্রান্তির পেছনে …

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

This site uses Akismet to reduce spam. Learn how your comment data is processed.